স্বকণ্ঠে পাশঃ
শিখা আর পারো - পারোলিকা মুখার্জি - দুজনেই জেমিনি কনসাল্টিং কোম্পানিতে কাজ করে। পারো ফরেনসিক একাউন্টেন্ট, কিন্তু সব ব্যাপারেই তার ডাক। চল্লিশ পেরিয়ে গেছে, শরীরে একটু মেদ জমেছে কিন্তু লম্বা চেহারা বলে বোঝা যায়না। শিখা মান্ডি বয়েসে ছোট। সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, কিন্তু কলেজে এন সি সি করে আর কারাটে মার্শাল আর্টস শিখে তার দুর্ধর্ষ বডি। সে পারোর সঙ্গে ফিল্ড ওয়ার্ক করে। ওদের 'ত্রুটি'তে, তৃতীয় আর একজন আছে, কল্যাণ রায়, ক্রয়, যে তুখোড় কম্পিউটার হ্যাকার, কিন্তু তার বেজায় ল্যাদ, বাড়ি থেকেই কাজ করে। বেরোতে চায় না। আজকালকার দিনের অল্প বয়সী ছেলেমেয়েদের মত পারো বেশি বেলা অবধি ঘুমোতে পারে না। তাই ছটা বাজতে না বাজতেই সে খাট ছেড়ে উঠে কফি-মেকারটা চালিয়ে দিয়ে বাথরুমে চলে গেল। বর্ষাকাল, সারারাত ঝির ঝির করে বৃষ্টি হয়েছে, একটু ঠান্ডা ঠান্ডা ভাব। রাতে পরে থাকা ছোট্ট লঞ্জারের ওপর একটা স্টোল জড়িয়ে, কফির মগটা হাতে নিয়ে শোবার ঘরে একটা উঁকি দিয়ে দেখল যে ক্রয় এখনো পাশ বালিশ জড়িয়ে ঘুমোচ্ছে। গতকাল, শুক্রবারের তাড়নায় অনেক রাত হয়ে গেছিলো, তাই ক্রয় রাতে থেকে গেছিলো। আজ শনিবার, উইকএন্ডের জের এখনো কাটতে অনেক দেরি, ডাকা বৃ...